Copy
Prosperity project logo with PKSF, UK aid and EU logo

প্রিয় পাঠক,
পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)-এর পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা। আপনারা অবগত আছেন, পাথওয়েজ টু প্রসপারিটি ফর এক্সট্রিমলি পুওর পিপল (পিপিইপিপি) বা সংক্ষেপে প্রসপারিটি কর্মসূচির মাসিক অগ্রগতি নিয়ে একটি ই-নিউজলেটার গত জানুয়ারি-২০২০ থেকে ইংরেজি ভাষায় প্রকাশিত হয়ে আসছে। পাঠকের আগ্রহের বিষয়টি বিবেচনা করে ইংরেজি ভাষার পাশাপাশি ই-নিউজলেটারটির বাংলা সংস্করণ প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। আশা করছি, ডিজিটাল প্রকাশনাটি আপনাদের প্রসপারিটি কর্মসূচি সম্পর্কে জানার আগ্রহ পূরণে সফল হবে। 
এক বছরের সফল ইনসেপশন পর্ব শেষে গত এপ্রিল মাসে প্রসপারিটি কর্মসূচির মূল বাস্তবায়ন পর্বের কাজ শুরু করেছে পিকেএসএফ। বর্তমানে কর্মএলাকায় অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীকে বিভিন্ন সেবা প্রদান কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। চলমান কোভিড-১৯ মহামারি ও সাম্প্রতিক বন্যার কারণে বহু মানুষ আয়ের উৎস হারানোর প্রেক্ষাপটে, আমরা প্রসপারিটি-এর কর্মএলাকায় প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপন এবং অতিদরিদ্র মানুষের মাঝে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদানের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি।
কোভিড-১৯-এর কারণে চলাচলে বিধিনিষেধ ও বন্যাকালীন জলাবদ্ধতার কারণে মাঠপর্যায়ে কর্মসূচি বাস্তবায়বনে নিয়োজিত কর্মীরা অতিদরিদ্র মানুষের কাছে সেবা পৌঁছে দিতে বাঁধাগ্রস্ত হচ্ছেন। তারপরও, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোঁড়ায় কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন সেবা পৌঁছে দিতে যে প্রচেষ্টা তারা অব্যাহত রেখেছেন তা প্রশংসার দাবিদার।
প্রসপারিটি কর্মসূচির আওতায় প্রকাশিত এই ই-নিউজলেটারের একজন নিয়মিত পাঠক হওয়ায় আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

ধন্যবাদান্তে,
একিউএম গোলাম মাওলা
উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক, পিকেএসএফ
প্রকল্প পরিচালক, প্রসপারিটি, পিকেএসএফ

প্রসপারিটি কর্মসূচি পরিচিতি

কর্মসৃজনের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্য নিয়ে ১৯৯০ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয় পিকেএসএফ। দারিদ্র্যের বহুমাত্রিকতাকে বিবেচনায় নিয়ে সমাজের পিছিয়েপড়া মানুষের জন্য গত তিন দশক ধরে সরকার ও বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগীর সহায়তায় পিকেএসএফ সফলভাবে দরিদ্র-বান্ধব বহুমুখী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে আসছে। অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে পূর্ববর্তী কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় যুক্তরাজ্য সরকার এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)-এর যৌথ অর্থায়নে প্রতিষ্ঠানটি প্রসপারিটি কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।
প্রসপারিটি কর্মসূচির ডিজাইন চূড়ান্তকরণে পিকেএসএফ কর্তৃক বাস্তবায়িত অতিদারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচি; যেমন যুক্তরাজ্য সরকার অর্থায়িত প্রাইম কর্মসূচি, ইউরোপীয় ইউনিয়ন অর্থায়িত ইউপিপি-উজ্জীবিত কর্মসূচিসহ অন্যান্য প্রকল্প হতে শিখন গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া, বাংলাদেশে যুক্তরাজ্য সরকার অর্থায়িত অন্যান্য অতিদারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচি, যেমন: চরস লাইভলিহুডস প্রোগ্রাম (সিএলপি), ইকোনোমিক এমপাওয়ারমেন্ট অফ দ্যা পুরেস্ট (ইইপি), যা স্টিমুলেটিং হাউজহোল্ড ইম্প্রুভমেন্টস রেজাল্টিং ইন ইকোনোমিক এমপাওয়ারমেন্ট (সিঁড়ি) নামে সমধিক পরিচিত এবং টার্গেটিং দ্যা আল্ট্রা পুওর প্রোগ্রাম (টিইউপি) থেকেও অভিজ্ঞতা গ্রহণ করা হয়েছে।
প্রসপারিটি কর্মসূচির প্রধান লক্ষ্য অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীকে মূলধারার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির যাত্রায় যুক্ত করা। উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে তিস্তা নদী ও ব্রহ্মপুত্র নদ তীরবর্তী উপজেলাসমূহ; নিয়মিত সাইক্লোন, জলোচ্ছ্বাস, লবণাক্ত পানির অনুপ্রবেশ, দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতার শিকার দক্ষিণ-পশ্চিমের উপকূলীয় অঞ্চল এবং বৈচিত্র্যময় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যপূর্ণ উত্তর-পূর্বের হাওর অঞ্চলের ভৌগোলিক বাস্তবতায় প্রসপারিটি কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে। এছাড়া, অতিদরিদ্রপ্রবণ বিশেষ এলাকাসমূহে উদ্ভাবনী উপায়ে বিভিন্ন সেবা সরবরাহ করা হচ্ছে।
প্রসপারিটি কর্মসূচিটি দু’টি পর্যায়ে বাস্তবায়িত হবে। এক বছরের ইনসেপশন পর্যায়সহ কর্মসূচির প্রথম পর্যায়ের মেয়াদ ১ এপ্রিল ২০১৯ থেকে ৩১ মার্চ ২০২৫ পর্যন্ত। এ পর্যায়ে ২.৫ লক্ষ অতিদরিদ্র খানার অন্তর্ভুক্ত ১০ লক্ষ মানুষের টেকসই উন্নয়নে সমন্বিত কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। প্রথম পর্যায়ের সন্তোষজনক অগ্রগতি বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট সরকারের অনুমোদন সাপেক্ষে আরও ১০ লক্ষ অতিদরিদ্র মানুষের উন্নয়নে ২০২৫ থেকে ২০২৯ সাল পর্যন্ত দ্বিতীয় পর্যায়ে কর্মসূচির মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে। বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন: www.ppepp.org

প্রসপারিটি ঘটনাপ্রবাহ

যুক্তরাজ্য সরকারের ভূতপূর্ব ডিএফআইডি (বর্তমান এফসিডিও) এবং বাংলাদেশ সরকারের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের মধ্যে গত ১৭ ডিসেম্বর ২০১৮ তারিখে প্রসপারিটি কর্মসূচির সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এরপর বাংলাদেশ সরকারের অর্থ বিভাগ ও পিকেএসএফ-এর মধ্যে গত ৫ মার্চ ২০১৯ তারিখে একটি চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়। পিকেএসএফ এবং ভূতপূর্ব ডিএফআইডি (বর্তমান এফসিডিও)-এর মধ্যে গত ৩১ মার্চ ২০১৯ তারিখে অপর এক চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রসপারিটি কর্মসূচির যাত্রা শুরু হয়।

প্রসপারিটি কর্মসূচির মূল পর্যায় শুরুর আগে গত ১ এপিল ২০১৯ তারিখে কর্মসূচির এক বছর মেয়াদি ইনসেপশন পর্যায় শুরু হয়। ইনসেপশন পর্যায়ে পিকেএসএফ ও সহযোগী সংস্থাগুলো কর্মসূচিটি বাস্তবায়নে পদ্ধতিগত ও প্রক্রিয়াগত প্রস্তুতি গ্রহণ; কনসেপচুয়াল ফ্রেমওয়ার্ক, গাইডলাইনসহ পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন কৌশল নির্ধারণ করে। মূল পর্যায় শুরুর আগে এসব পদ্ধতি, প্রক্রিয়া ও কৌশলের পরীক্ষা-নিরীক্ষা, পর্যালোচনা ও ব্যবহারিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়। গত ৩১ মার্চ ২০২০ তারিখে ইনসেপশন পর্যায় শেষ হয়।

পূর্ণাঙ্গ পর্যায়ে কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু করার আগে পিকেএসএফ ইনসেপশন পর্যায়ে ৯টি সহযোগী সংস্থার মাধ্যমে ১৭টি ইউনিয়নে কর্মসূচির পাইলটিং কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে। ১৭টি ইউনিয়নে খানা নির্বাচন ও ‘অপারেশন মডালিটি’ চূড়ান্তকরণে এই পাইলটিং কার্যক্রম পরিচালিত হয়। পাইলটিংভুক্ত ১৭টি ইউনিয়নে বসবাসকারী ৮১,৯৭২টি খানায় পরিচালিত এই নির্বাচন পদ্ধতি থেকে ৩৪,৮২০টি খানা অতিদরিদ্র হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। চিহ্নিত অতিদরিদ্র খানায় ইতোমধ্যে বিভিন্ন প্রসপারিটি সেবা প্রদান শুরু হয়েছে।

কর্মসূচিটি বাস্তবায়নকারী ১৯টি সহযোগী সংস্থার আওতায় এ পর্যন্ত সর্বমোট ১৮৮টি শাখা (ইউনিট ও সাব-ইউনিট) স্থাপনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে নির্ধারিত কর্মএলাকায় অতিদরিদ্র খানা চিহ্নিতকরণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

প্রসপারিটি বার্ষিক মূল্যায়ন ২০২০

Prosperity project got A+ in the annual review in 2020
প্রসপারিটি কর্মসূচির ২০২০ সালের বার্ষিক মূল্যায়ন সম্পন্ন হয়েছে। এ মূল্যায়নে কর্মসূচিটির পিকেএসএফ কর্তৃক বাস্তবায়িত কম্পোনেন্টসমূহ ‘এ+’ স্কোর অর্জন করেছে। অর্থাৎ, ‘আউটপুট প্রত্যাশাকে অতিক্রম করেছে’। কোভিড-১৯, আম্পান ও বন্যা পরিস্থিতিতে সৃ্ষ্ট চ্যালেঞ্জের মাঝেই এই ফলাফল অর্জন করলো প্রসপারিটি কর্মসূচি । 
বিস্তারিত জানুন ...

বন্যায় বিপর্যস্ত প্রসপারিটি’র কর্মএলাকা

The devastating recent flood in a Prosperity project working area.
প্রসপারিটি’র কর্মএলাকায় সাম্প্রতিক বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে
মৌসুমি ভারী বৃষ্টিপাত, পাহাড়ি ঢল এবং প্রধান-প্রধান নদ-নদীতে পানির উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে দেশের উত্তর, উত্তরপূর্ব এবং দক্ষিণপূর্বাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। বন্যার কবলে পড়েছে দেশের অন্তত ৩০টি জেলা; ১১ হাজার খানা হয়েছে বাস্তুচ্যুত; আর সারা দেশে জীবন-জীবিকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছেন ৫৪ লক্ষ মানুষ।
বন্যায় অনেক গ্রামেই পানিবন্দি ছিলেন অসংখ্য মানুষ। মাথাগোঁজার শেষ আশ্রয়টুকুও হারিয়েছেন অনেকে। স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, বন্যায় অন্তত দুই শতাধিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।
প্রসপারিটি কর্মসূচি বাস্তবায়নকারী সহযোগী সংস্থাগুলো প্রসপারিটি কর্মসূচির পাইলটিংভুক্ত ১৭টি ইউনিয়নে বন্যার প্রাথমিক ক্ষয়ক্ষতির তথ্য সংগ্রহ করেছে। এদের মধ্যে কিশোরগঞ্জ, সুনামগঞ্জ ও কুড়িগ্রাম জেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতির শিকার। 
দেশের ৬ জেলার প্রসপারিটি কর্মএলাকাভুক্ত ৯টি ইউনিয়নের ৯৮টি গ্রামে বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। কর্মসূচিভুক্ত ৫,৭০২ জন অতিদরিদ্র সদস্যের ঘর আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে সহযোগী সংস্থাগুলো।

An extreme-poor household in the flood
প্রসপারিটি’র কর্মএলাকায় গৃহহীন অনেক মানুষ বাঁধ, সড়ক, মহাসড়ক ও উচ্চভূমিতে তাদের গবাদিপশু নিয়ে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন। বন্যার পানিতে তলিয়ে যায় সেখানকার ১,৪০০ অতিদরিদ্র খানার মালিকানাধীন ২৬২ একর কৃষিজমি। সহযোগী সংস্থাগুলো আরও জানায়, বন্যায় প্রসপারিটি’র ১,৩৫৪ জন সদস্য ১,৯৪৭টি গরু; ১,৩৩৯ জন সদস্য ১,৯৯০টি ছাগল এবং ৩,৫৫৭টি পরিবার ৭,৭৮৪টি হাঁস-মুরগী হারিয়েছেন।
মূলতঃ কৃষি খাতের ওপর নির্ভরশীল এসব মানুষের জীবিকা মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে, কোভিড-১৯ মহামারির কারণে তাদের ঘুড়ে দাঁড়ানোর প্রচেষ্টাও নতুন করে চ্যালেঞ্জের মুখে। 
প্রসপারিটি’র কর্মএলাকায় প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা নিরূপনপূর্বক অতিদরিদ্র মানুষের মাঝে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে স্বল্পমেয়াদে চলতি সংকট মোকাবেলা এবং দীর্ঘমেয়াদে তারা জীবিকা পুনর্গঠনে সক্ষম হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে কার্যক্রম

Screenshot of Zoom meeting
Virtual orientation on Zoom
Virtual meeting on Zoom

সহযোগী সংস্থা পর্যায়ে ভার্চুয়াল প্রশিক্ষণ

কোভিড-১৯ সংক্রান্ত বিধিনিষেধের প্রেক্ষাপটে ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে আয়োজিত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলতি মাসে শেষ হয়েছে। ২০২০ সালের জুনে সহযোগী সংস্থা পর্যায়ে নিয়োগপ্রাপ্ত ১৭৫ জন কারিগরি কর্মকর্তার অংশগ্রহণে এ কার্যক্রম শুরু হয়। মাঠ পর্যায়ে কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় দক্ষতা উন্নয়নে কয়েক দফার এই প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হয়। 

অতিদরিদ্র খানা নির্বাচন পদ্ধতি প্রশিক্ষণ

প্রসপারিটি কর্মসূচি বাস্তবায়নকারী পাঁচটি সহযোগী সংস্থার অংশগ্রহণে অতিদরিদ্র খানা চিহ্নিতকরণ প্রক্রিয়ার ওপর চারদিনব্যাপি প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের লক্ষ্য ছিল: কার্যকরী টার্গেটিং নিশ্চিতকরণে অতিদরিদ্র খানা নির্বাচন পদ্ধতি ও যাচাই প্রক্রিয়া নিয়ে সহযোগী সংস্থা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি। ১৫৮ জন তথ্য সংগ্রহকারী, ৯১ জন সহকারী কারিগরি কর্মকর্তা, ৩২ জন কমিউনিটি নিউট্রিশন অ্যান্ড হেলথ প্রমোটার (সিএনএইচপি), তিন জন কারিগরি কর্মকর্তা এবং সংস্থা পর্যায়ের ৬৮ জন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাসহ মোট ৩৫৪ জন অংশগ্রহণকারী ১২টি ব্যাচের এ প্রশিক্ষণে অংশ নেন।

সংস্থা পর্যায়ে বৈঠক

প্রসপারিটিভুক্ত ৯টি সহযোগী সংস্থার অধীনে নিয়োজিত ৩৫০ জন কর্মকর্তার অংশগ্রহণে কর্মসূচির সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে জুলাই-আগস্ট মাসে কয়েক দফা অনলাইন বৈঠক আয়োজন করা হয়। কর্মসূচির মাঠ কার্যক্রমের সার্বিক সমন্বয়ের উদ্দেশ্যে আয়োজিত এসব বৈঠকে মাসিক অগ্রগতি নিয়েও বিশদ মতবিনিময় হয়। পিকেএসএফ-এর কর্মকর্তারা এসব অনলাইন বৈঠক পরিচালনা করেন।

আভ্যন্তরীণ সমন্বয় সভা

প্রসপারিটি কর্মসূচির ‘প্রজেক্ট ইমপ্লিমেন্টেশন ইউনিট (পিআইইউ)’ ভুক্ত বিভিন্ন টীম ও কম্পোনেন্ট-এর সদস্যদের মধ্যে আভ্যন্তরীণ সমন্বয় সাধনে বিভিন্ন বৈঠকের আয়োজন করা হয়। কর্মসূচিটি বাস্তবায়নে কার্যকরী মাঠ কার্যক্রম কৌশল-পদ্ধতি প্রণয়নে লাইভলিহুডস, নিউট্রিশন ও কমিউনিটি মোবিলাইজেশন কম্পোনেন্ট ভিন্ন ভিন্ন সেশন আয়োজন করে।

মাঠ কার্যক্রমের খণ্ডচিত্র

FDG for extreme-poor HH identification
Training for extreme-poor HH identification
Livelihood activities
FGD for extreme-poor HH identification
Training on livelihood activities
Facebook
Facebook
YouTube
YouTube
Flickr
Flickr
Website
Website
Copyright © 2020 Pathways to Prosperity, All rights reserved.


Want to change how you receive these emails?
You can update your preferences or unsubscribe from this list.

Email Marketing Powered by Mailchimp